আমাদের শরীরে ত্বক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আমাদের ত্বকের প্রতি যথেষ্ট খেয়াল রাখা উচিত। আজকে আমি আপনাদের সাথে ত্বক সম্পর্কিত কিছু কথা বলব।ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল.....ফেসিয়াল ত্বকের যত্নে খুবইই জরুরি বলে আমি মনে করি।আমরা শুধুমাত্র বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ফেসিয়াল করে থাকি,নিজের মাঝে একটু বাড়তি সৌন্দর্য যোগ করার জন্য।কিন্ত আমি বলব অন্য কথা,,, ত্বক ভাল রাখার জন্য আমাদের প্রত্যেককেই একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর ফেসিয়াল করা জরুরি। তবে ত্বকের ধরন বুঝে ফেসিয়াল করলে ভাল হয়।ত্বক সাধারণত তিন ধরনের হয়।তৈলাক্ত, শুষ্ক ও মিশ্র বা স্বাভাবিক ত্বক।ত্বক ফেসিয়াল করার আগে আপনাকে আগে বুঝে নিতে হবে আপনার ত্বক কোন ধরনের।আর সে অনুযায়ী আপনাকে ফেসিয়াল করতে হবে।এখন আমি বলব,কোন ত্বকের জন্য কোন ধরনের ফেসিয়াল কাজ করে বা করা যায়।তবে আপনারা চাইলে খুব সহজেই বাড়িতে বসেই এই ফেসিয়াল করতে পারবেন।
১. শুষ্ক ত্বক - ময়শ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।সেই সাথে গোলাপজল হলেও ভাল।কলা,মধু পেষ্ট করে লাগাতে পারেন।এটা খুবই উপকারী। কেননা মধুতে আছে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা আপনার স্কিন কে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
২. তৈলাক্ত ত্বক - তৈলাক্ত ত্বকে ব্রুন হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।তাই তৈলাক্ত ভাব দূর করা যায় এমন ফেসিয়াল করতে হবে।তৈলাক্ত ত্বকে যদি ব্রুণ থাকে,নিম কিংবা ব্রুণ ফেসিয়াল করা যেতে পারে।এইক্ষেত্রে বেসন,হলুদ ও মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।নিম পাতা বাটা, শসা ও লেবুর রস মিশিয়ে নিম প্যাক তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন।লেবুতে আছে সাইট্রিক এসিড এবং এটি এন্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে, যা ত্বকের কালচে ভাব দূর করে।বাহির থেকে আসার পর আপনারা ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।এতে তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যাবে।
৩. মিশ্র বা স্বাভাবিক ত্বক - মিশ্র ত্বক একটি আদর্শ ত্বক।এই ত্বকের ফেসিয়াল যে কোন উপাদান দিয়েই নির্দ্বিধায় করা যায়।মিশ্র।সাধারণত চামড়া নরম ও মসৃণ থাকে।রক্ত সঞ্চালন ভাল। এইক্ষেত্রে ফ্রুট ফেসিয়াল বা গোল্ড ফেসিয়াল ভাল।চাল ও ডালের গুড়ি এবং মধু মিশিয়ে আপনারা প্যাক তৈরি করে নিতে পারেন।এই প্যাক মিশ্র ত্বকের জন্য খুবই ভাল।।










