Showing posts with label নারী. Show all posts
Showing posts with label নারী. Show all posts

ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল

Unknown | October 14, 2017 | | |
আমাদের শরীরে ত্বক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আমাদের ত্বকের প্রতি যথেষ্ট খেয়াল রাখা উচিত। আজকে আমি আপনাদের সাথে ত্বক সম্পর্কিত কিছু কথা বলব।ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল.....ফেসিয়াল ত্বকের যত্নে খুবইই জরুরি বলে আমি মনে করি।আমরা শুধুমাত্র বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ফেসিয়াল করে থাকি,নিজের মাঝে একটু বাড়তি সৌন্দর্য যোগ করার জন্য।কিন্ত আমি বলব অন্য কথা,,, ত্বক ভাল রাখার জন্য আমাদের প্রত্যেককেই একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর ফেসিয়াল করা জরুরি। তবে ত্বকের ধরন বুঝে ফেসিয়াল করলে ভাল হয়।ত্বক সাধারণত তিন ধরনের হয়।তৈলাক্ত, শুষ্ক ও মিশ্র বা স্বাভাবিক ত্বক।ত্বক ফেসিয়াল করার আগে আপনাকে আগে বুঝে নিতে হবে আপনার ত্বক কোন ধরনের।আর সে অনুযায়ী আপনাকে ফেসিয়াল করতে হবে।এখন আমি বলব,কোন ত্বকের জন্য কোন ধরনের ফেসিয়াল কাজ করে বা করা যায়।তবে আপনারা চাইলে খুব সহজেই বাড়িতে বসেই এই ফেসিয়াল করতে পারবেন।



১. শুষ্ক ত্বক - ময়শ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।সেই সাথে গোলাপজল হলেও ভাল।কলা,মধু পেষ্ট করে লাগাতে পারেন।এটা খুবই উপকারী। কেননা মধুতে আছে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা আপনার স্কিন কে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

 ২. তৈলাক্ত ত্বক - তৈলাক্ত ত্বকে ব্রুন হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।তাই তৈলাক্ত ভাব দূর করা যায় এমন ফেসিয়াল করতে হবে।তৈলাক্ত ত্বকে যদি ব্রুণ থাকে,নিম কিংবা ব্রুণ ফেসিয়াল করা যেতে পারে।এইক্ষেত্রে বেসন,হলুদ ও মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।নিম পাতা বাটা, শসা ও লেবুর রস মিশিয়ে নিম প্যাক তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন।লেবুতে আছে সাইট্রিক এসিড এবং এটি এন্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে, যা ত্বকের কালচে ভাব দূর করে।বাহির থেকে আসার পর আপনারা ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।এতে তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যাবে।

৩. মিশ্র বা স্বাভাবিক ত্বক - মিশ্র ত্বক একটি আদর্শ ত্বক।এই ত্বকের ফেসিয়াল যে কোন উপাদান দিয়েই নির্দ্বিধায় করা যায়।মিশ্র।সাধারণত চামড়া নরম ও মসৃণ থাকে।রক্ত সঞ্চালন ভাল। এইক্ষেত্রে ফ্রুট ফেসিয়াল বা গোল্ড ফেসিয়াল ভাল।চাল ও ডালের গুড়ি এবং মধু মিশিয়ে আপনারা প্যাক তৈরি করে নিতে পারেন।এই প্যাক মিশ্র ত্বকের জন্য খুবই ভাল।।

"তাৎক্ষণিকভাবে মুখের উজ্বলতা বৃদ্ধি করার উপায়"

Unknown | October 14, 2017 | | |
দ্রুত ত্বক উজ্জ্বল করার কৌশল অনেকেরই জানা নেই।  খুব সহজেই কিভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারেন এবং ত্বক কে করে তুলতে পারেন নরম ও মসৃণ। নিখুঁত ফরসা ত্বক আজকাল সব মেয়েরই কাম্য। কিন্ত পরিবেশ ও আবহাওয়া দূষণের বিভিন্ন কারনে আমাদের ত্বক প্রতিনিয়ত উজ্জ্বলতা হারাচ্ছে। তাই ত্বকের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্নের। হঠাৎ কোনো উৎসব বা অনুষ্ঠানের সময় যদি পার্লার বন্ধ থাকে তাহলে মনটা খারাপ হয়ে যায়। মন খারাপ হওয়ার কিছু নেই। চলুন জেনে নেই তাৎক্ষণিকভাবে কিভাবে আপনার ত্বকের উজ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।।।।



১। মধু ও লেবু মাস্কঃ  এক টেবিল চামচ লেবুর রস, এক টেবিল চামচ মধু ভালভাবে একসাথে মিশিয়ে ফেলুন। এখন এই মিশ্রণটি ত্বকে ৫ মিনিট মেসেজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ত্বক ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক নিমেষেই উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। কারণ একটি প্রাকৃতিক উপাদান। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে মধুর জুড়ি নেই। এটি ত্বককে নরম,মসৃণ করে,বলিরেখা ও কালচে ভাব দূর করে।

২। চালের গুড়া ও টক দই মাস্কঃ আতপ চাউল গুড়ো করে রেখে দিতে পারেন যাতে আপনি আপনার প্রয়োজনমতো ব্যবহার করেতে পারেন। ৩ টেবিল চামচ চালের গুড়ো, ৩ টেবিল চামচ টক দই একসাথে মিশিয়ে একটি পেষ্ট তৈরী করুন। এবার একটি ব্রাশের সাহায্যে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। বলে রাখা ভাল যে, চালের গুড়ো ত্বকের যত্নে অতুলনীয়। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। যাদের ত্বক সেনসিটিভ তারাও এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।



৩। টমেটো মাস্কঃ টমেটোতে ব্রণ হালকা করার উপাদান আছে। ত্বকের প্রয়োজনীয় পরিমানে টমেটো থেঁতলে মুখে লাগান এবং শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে টমেটো ব্ল্যান্ড করে কটন বলের সাহায্যেও ব্যবহার করতে পারেন। টমেটোর উপকারীতা অনেক, সেটা আমরা কমবেশি সবাই জানি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম।

"ঘরে বসে কম খরচে রূপচর্চা করার সহজ কিছু টিপস"

Unknown | October 14, 2017 | | |
ত্বকেরধরন সম্পর্কে আমি আপনাদের আগেই বলেছি, আজকে আপনাদের ত্বক নিয়েই আরো কিছু কথা বলব। আমাদের প্রতিদিনকার কাজের চাপে ঠিকমতো ত্বকের যত্ন নেওয়া হয়ে উঠে না। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ফেসিয়াল এর জুড়ি নেই। তাই ত্বক ভাল রাখতে ত্বকের যত্ন বা রুপ চর্চানেওয়া উচিত। রূপচর্চা মানেই যে অনেক টাকালাগবে তা কিন্তু নয়। আমাদের হাতের কাছেই বা ঘরেই অনেককিছুরয়েছে যা দিয়ে আমরাত্বকের যত্ন নিতে পারি। মুখের ত্বক সুন্দর রাখার জন্য দরকার পূর্ণ পরিচর্যা। তাছাড়া আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত মৃত কোষ উঠে গিয়ে নতুন কোষ জন্মায়, যার জন্য আমাদের ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক। আর সেই জন্যইইআমাদের ফেসিয়াল করা দরকার। বাহির থেকে আসার পর আমাদের স্কিনেপ্রচুর পরিমানে ধূলাবালি জমে বিশেষ করে লোমকূপ এর গোড়ায় যেসবময়লা আটকে থাকে, তা সহজে পরিষ্কারকরা সম্ভব হয় না।অই ময়লাআর অতিরিক্ত তেল একসাথে হয়ে ব্ল্যকহেডস সহ ত্বকে নানাধরনেরসমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া একটা বয়সের পর ত্বকের উজ্জলতাধরে রাখতে প্রয়োজন পরে বাড়তি পুষ্টির। আর এইসব কিছুর সহজ সমাধান পাওয়া যায় ফেসিয়াল এর মাধ্যমে।




টিপসঃ ১ -আপনি চাইলেই ঘরে বসেই সহজ উপায়ে হারবাল ফেসিয়াল করে নিতে পারেন। প্রথমেই যা যা লাগবেসব হাতের কাছেই রাখুন। যেমন,তোয়ালে,ক্লিনজার,পানি,টোনার,ময়শ্চারাইজার, শষা। প্রথমেই মুখটা ভাল করে ধুয়ে নিন,তারপর ক্লিনজার দিয়ে মুখে গলায় ভাল করে মেসেজ করুন।  কয়েকমিনিট পর মুছে ফেলুন।এরপর স্ক্রাবার দিয়ে তিন চার মিনিট পর্যন্ত স্ক্রাব করুন।  এইক্ষেত্রেআপনারা চিনি ও লেবুর রসেরমিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।ব্ল্যকহেডস রিমুভার নিয়ে নাক চেপে ধরে আস্তে আস্তে ব্ল্যকহেডস তুলে আনুন। একটি তুলোতে টুনার লাগিয়ে তা ঘসে ঘসেপরিষ্কার করে নিন। তৈলাক্ত ও ব্রুণ ত্বকেরজন্য গোলাপজল, বেসন,লেবুর রস ও শসাদিয়ে প্যাক তৈরী করতে পারেন। যাদের ত্বক শুষ্ক বা খসখসে তারারাতে গোলাপজলের সাথে গ্লিসারিন মিশিয়ে মুখে,হাতে,পায়ে লাগিয়ে সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এবার মধু,লেবুর রস ও বেসনদিয়ে প্যাক তৈরী করে লাগাতে পারেন। চোখে শসা বা আলু থেঁতলেদিয়ে ২০-৩০মিনিট অপেক্ষাকরুন।  তারপরপ্যাক পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

 টিপসঃ ২-এলোভেরা ও শসার রস, বেসন, গোলাপজল ও মধু দিয়েএকসাথে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করতে পারেন। এছাড়াও ময়দা,টক দই ওমধু একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করতে পারেন।
 টিপসঃ ৩- প্রথমেমুখটা ভাল করে পরিষ্কার করে,একটি পাকা টমেটো কাটা চামচ দিয়ে কেচে মুখে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্যবহার করুন। কিছুক্ষণ মেসেজ করার পর তা তুলাদিয়ে পরিষ্কার করে নিন। কাচা দুধ, মধু, গোলাপজল ও মুসুরের ডালবাটা একসাথে মিক্সড করে প্যাক তৈরী করে নিতে পারেন।


 টিপসঃ ৪-মধুর কার্যকারীতা অনেক। এটি রোদে পোড়া ভাব দূর করতে,ব্রুনের দাগ কমাতে এবং মুখের রং এর উজ্জ্বলতাবাড়াতে সাহায্য করে।।

"মুখের অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়"

Unknown | October 14, 2017 | | |

ঘামশরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বরং ঘাম না হওয়াই অস্বাভাবিক।মুখে অতিরিক্ত ঘামের কারণেময়লা জমে তৈলাক্ত ভাব দেখা দেয়। যার কারণে ব্রন,ব্ল্যাকহেডস, হোয়াটহেডস ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া আমাদের প্রতিদিনকার কাজের চাপ, বাতাসে আর্দ্র5তা বেড়ে যাওয়ারকারণে সকলেরই কম বেশি ঘামহয়। আর এই ঘামেরকারণেই শরির থেকে প্রচুর পরিমানে লবণ বেড়িয়ে যায়। ঘাম বিভিন্ন কারণে হতে পারে,মানুষিক চাপ, রক্ত সঞ্চালন ভালভাবে না হওয়া,ডাইবেটিকসইত্যাদির কারনে ঘাম বেশি হতে পারে। তাছাড়া খাবারের কারনেও ঘাম বেশি হতে পারে। তাই খাদ্য তালিকায় বাদাম এবং আলু রাখুন। দেহের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেকের মুখ প্রচুর পরিমানে ঘামে। আর এই ঘামেরকারনে শরীরে বা দেহে ক্লান্তিচলে আসে এবং চেহারা মলিন হয়ে যায়।এমন কি এই ঘামেরকারনে মেকআপ করেও শান্তি পাওয়া যায় না। মুখের অতিরিক্ত ঘাম দূর করার কিছু সহজ উপায় জেনে রাখুন........


 ১। লালচায়ে রয়েছে ট্যানিক এসিড। এর মাঝে আরোরয়েছে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টিপারসপিরেন্ট উপাদান। তাইমুখের ঘাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এই লাল চাপান করুন।

 ২।প্রচুর পরিমানে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন যখন ঘাম হবে। আপনারা চাইলে কয়েক টুকরা বরফ একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেধে নিয়ে তা মুখে চেপেদিন।এতে করে মুখের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাবে,ফলে আর ঘাম হবেনা।

 ৩।মুখের ঘাম দূর করার জন্য ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করতে পারেন। কসমেটিকস এর দোকানগুলোতে ভালমানের ওয়েট টিস্যু পাওয়া যায়। যখন ঘাম হবে তখনই ওয়েট টিস্যু নিয়ে ঘাম মুছে নিবেন। এতে করে মুখ পরিষ্কার হবে এবং তৈলাক্ত ভাব দূর হবে।

 ৪।মুখের ঘাম দূর করার জন্য ফেসিয়াল স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এটি তৈরী করতে লাগবে চালের গুড়ার সাথে টক দই ভালকরে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট অপেক্ষাকরুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনারা সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করতে পারবন। এটি ব্যবহারের ফলে মুখের ঘাম দূর হবে।

৫। মুখের ঘামদূর করার জন্য শসার রস ব্যবহার করতেপারেন। শসা কুচি করে রস বের করেতুলার সাহায্যে মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের ঘাম দূর করার পাশাপাশি মুখের কালো দাগ ও ব্রুন কমাতেসাহায্যে করব।

৬। শীতকাল ছাড়াময়শ্চারাইজার লাগাবেন না। আমরা অনেকেই এই গরমের মাঝেওময়শ্চারাইজার লাগিয়ে বাহিরে বেড় হই। যার কারনে মুখ প্রচুর পরিমানে ঘামে। এইক্ষেত্রে আপনারা একটি কাজ করতে পারেন,ময়শ্চারাইজার লাগানোর আগে মুখে বরফ ঘসে নিতে পারেন।


৭। ঘাম থেকেরক্ষা পাওয়ার জন্য প্রতিদিন এক চা চামচমধুর সাথে আক চা চামচপাতিলেবুর রস মুখে লাগিয়ে১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
                                                                                                                                                
৮।ঘাম থেক রক্ষা পাওয়ার জন্য বাহিরে বের হওয়ার পর ছাতা এবংসানগ্লাস ব্যবহার করুন। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে আপনারা সানস্ক্রিন লাগিয়ে বের হবেন।
                                                                  

"চালের গুড়ার মাধ্যমে কিভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো যায়"

Unknown | October 14, 2017 | | |
সঠিকভাবে এবং নিয়ম মেনে ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।  ত্বকের সমস্যায় পরলে যে সব সময় প্রসাধনী কিনতে হবে তা কিন্ত নয়। হাতের কাছের জিনিস নিয়েই অনায়াসেই ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন। আমাদের শরীরের প্রতিনিয়ত মৃত কোষ উঠে গিয়ে নতুন কোষ জন্মায়। মৃত কোষ ত্বকের উপর ময়লার আস্তরণ বা আবরণ তৈরী করে ত্বককে খসখসে করে তুলে। মৃত কোষ পরিষ্কার করার জন্য চালের গুড়ার স্ক্রাব সব থেকে ভাল। চালের গুড়া বলতে শুধু পিঠা পুলি তৈরী করার উপাদান তা নয়। আমাদের ত্বকের যত্নে চালের গুড়া বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে। আপনি চাইলে শুকিয়ে চালের গুড়া কৌটায় রেখে দিতে পারেন। এতে করে আপনি আপনার প্রয়োজনমতো ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু চালের গুড়া বেশিদিন রাখার পর যদি দেখে তা হলুদ রং ধারন করছে তাহলে ব্যবহার না করে ফেলে দেওয়াই ভাল। চলুন দেখে নেওয়া যাক, চালের গুড়া রুপচর্চা এবং এর উপকারীতা সম্পর্কিত কিছু কথা....




 ১। চালের গুড়া ব্রুনের দাগ কমায়,ত্বককে করে তুলে কোমল ও মসৃণ।

২। চালের গুড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করে।

৩। আমাদের ত্বকের রোদে পোড়া ভাব ও কালচে ভাব দূর করে।

 ৪। নাকের দুই পাশের মৃত কোষ তুলতে সাহায্য করে।

 ৫। চালের গুড়া দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পর আলাদা ময়শ্চারাইজারের প্রয়োজন পরে না।

 ৬।ডার্ক সার্কেল দূর করতে চালের গুড়ার সাথে ক্যাস্টরওয়েল মিশিয়ে চোখের আশেপাশে লাগিয়ে রাখুন। এতে চোখের কাল দাগ দূর হয়ে যাবে।

 ৭। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। চালের গুড়া সেনসিটিভ স্কিনেও ব্যাবহার করা যায়।

৮। দুই টেবিল চামচ চালের গুড়া, দুই টেবিল চামচ লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ কাচা দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি পুরো মুখে আলতোভাবে লাগান।১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা দুধের পরিবর্তে শসার রস ব্যবহার করতে পারেন।

৯। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা চালের গুড়া ও দুধের সাথে কমলার রস ব্যবহার করতে পারেন।কমলার রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

 ১০। ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে চালে গুড়া মধু ও অলিভওয়েল একসাথে মিশিয়ে একটি মাক্স তৈরী করে ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাকগুলো সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে পারবেন। এর বেশি ব্যবহার করা যাবে না।

১১। প্যাক ইউজ করার পর জোরে জোরে ঘষা যাবে না,আলতো করে ঘষা দিতে হবে। নইলে হীতে বিপরীত হতে পারে।


"হাতের সৌন্দর্য ধরে রাখার সহজ কিছু উপায় "

Unknown | October 14, 2017 | | |
সবাই চায় মুখের সাথে সাথে হাতের রংটাও সুন্দর রাখতে। আবার অনেকেই মুখের প্রতি খেয়াল রাখতে গিয়ে হাতের সৌন্দর্যের কথা ভূলে যায়। এটা মনে রাখতে হবে মুখের সাথে হাতেরও যত্ন নেওয়া উচিত। মুখে যেমন বয়সের ছাপ পরে,তেমনি হাতেরও পরে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি মুখের পাশাপাশি হাতের রংকেও কালচে করে দেয়। এজন্য মুখের যত্নের সাথে সাথে হাতেরও যত্ন নিন। মুখের রং এর সাথে অনেকের হাতের রং এর মিল থাকে না। কিন্ত হাতের যত্নের ব্যপারে আমরা বেশ উদাসীন মনোভাব পোষণ করে থাকি।তা কিন্তু মোটেই ঠিক নয়। কেননা মুখের সাথে যদি হাতের রংটা না যায় তাহলে খুব বেমানান লাগে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুখের ত্বকের সাথে মিল রেখে কিভাবে আপনার হাতের যত্ন নিবেন ও হাত সুন্দর, কোমল ও মসৃণ রাখবেন।


 ➧ রাতে শোবার আগে হাতে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। যারা বেশি পানি নাড়াচাড়া করে থাকেন তাদের হাত বেশিরভাগ ভেজা থাকার কারণে,হাতের ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। এইক্ষেত্রে হাতে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।


➧ দুই টেবিল চামচ চিনি ও দুই টেবিল চামচ অলিভওয়েল একসাথে মিশিয়ে হাতে লাগালে হাতের শুষ্ক ও রুক্ষ ভাব কেটে যাবে।


➧ এক টেবিল চামচ ময়দা, এক টেবিল চামচ লেবুর রস ও টক দই একত্রে মিশিয়ে হাতে লাগান এবং না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।এটি হাতর কালচে ভাব ও মরা কোষ দূর করে।


➧ দুই চা চামচ গোলাপজল, দুই চা চামচ লেবুর রস,দুই চা চামচ গ্লিসারিন একসাথে করে তুলার সাহায্যে বা কটন বলের সাহায্যে হাতে লাগান।বিশ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে হাতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।


 ➧  নিয়মিত স্ক্রাব করতে পারেন।


➧ হাতের বলিরেখা দূর করতে লেবুর রস, চিনি, দুধ ও বেকিং সোডা মিশিয়ে হাতে লাগাতে পারেন।


➧ প্রথমে দুই টুকরা পেঁপে ভাল করে চটকে টমেটোর রসের সংগে মিশিয়ে নিন। ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধূয়ে ফেলুন। এতে হাতকে প্রাণবন্ত দেখাবে।



➧ আলু ও লেবুতে প্রচুর পরিমানে সাইট্রিক এসিড রয়েছে। আলু চটকে রস বের করে লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে নিন।তুলার সাহায্যে মিশ্রণটি হাতে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে হাত কোমল ও মসৃণ হবে। 

আকর্ষণীয় দুটি হাত আপনার রুচি এবং ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটাবে। তাই প্রতিদিন কিছুটা সময় নিয়ে হাতের যত্ন নিন।

"ত্বকের রং বুঝে সঠিক নিয়মে মেকআপ "

Unknown | October 14, 2017 | | |

 বর্তমানে সব নারীরাই নিজেকে সুন্দর রাখতে চায়।তার পিছনে অনেক টাকা ও সময় নষ্ট করে থাকে।অনেকের সঠিক চিন্তাটা মাথায় আসে না।সেটা হল মেকআপ করতে গেলে প্রথমে চিন্তা করতে হবে যে, আপনার গায়ের রং কেমন। আর এই গায়ের রং এর সাথেই সামঞ্জস্যতা রেখেই মেকআপ করায়া উচিত। আর তাই গায়ের রং এর প্রাধান্য দিতে হবে বেশি।সেইসাথে ত্বকের ধরন, মুখের রং এএবং চেহারার সাথে যায় বা মানানসই এমন মেকআপ করা উচিত। মুখের সৌন্দর্যতা অনেকটাই নির্ভর করে মেকআপ উপর। মেকআপের হেরফের হলে তার বাজে প্রভাব সৌন্দর্যের উপর পরবে। তাই মেকআপ করার সময় সচেতন হওয়া উচিত। নিজেকে আকর্ষণীয় এবং ব্যাক্তিত্বে অনন্য হিসেবে উপস্থাপন করতে হলে বেছে নিন আপনার নিজস্ব স্টাইল। তাই ত্বকের রং বুঝে মেকআপ করার কিছু পরামর্শ দেওয়া হল।





 আমরা মেকআপ করাকে একটি সহজ বিষয় হিসেবে ভেবে থাকি।কিন্তু আসলেই কি তাই।যাদের গায়ের রং ফর্সা তারা অবশ্যই হালকা মেকআপ করবেন। কারণ অতিরিক্ত মেকআপ ত্বককে ফ্যাকাসে করে তুলে। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও মসৃণতা নষ্ট করে।তবে রাতের পার্টিতে একটু গাঢ় মেকআপ করতে পারেন। যাদের গায়ের রং শ্যামা তারা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে সেটা যেন তেলতেলে না হয়।যাদের গায়ের রং কালো তারা দিনে এবং রাতে গাঢ় রং এর মেকআপ করতে পারেন।কারণ গাঢ় রং এর মেকআপ চেহারার উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ত্বকের সুস্থ্যতার কথা মাথায় ভাল মানের ফেইস পাউডার ব্যবহার করবেন। ফর্সা ত্বকের জন্য উজ্জ্বল রং এর আই-শ্যাডো ব্যবহার করতে পারেন।তবে রাতের পার্টিতে গাঢ় রং এর আইশ্যাডো ব্যাবহার করতে পারেন। শ্যামলা ত্বকে উজ্জ্বল বা গাঢ় যেকোনো রং এর আইশ্যাডো মানানসই। যাদের গায়ের রং কালো তারা ব্রাউন আইশ্যাডো ব্যাবহার করতে পারেন।

ফাউন্ডেশনঃ  ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করতে একটু সচেতন হতে হবে। বাজারে বিভিন্ন কসমেটিকস এর দোকানগুলোতে রুপচর্চার হরেক রকমের উপকরণ পাওয়া যায়। এইক্ষেত্রে আপনাকেই বিবেচনা করে সঠিক পণ্যটি বাছাই করতে হবে। এমন ফাউন্ডেশন নির্বাচন করুন যেটা আপনার ত্বকের সাথে মানানসই। ওয়াটার বেইস ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করতে পারেন। কনসিলার ব্যাবহার করলেও ত্বক সুন্দর লাগবে। যা করবেন তা অবশ্যই গায়ের রং এর সাথে মিল রেখে করবেন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অয়েল ফ্রি লিকুইড ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করতে পারেন। যেসব ত্বকে হালকা ভাজ পরেছে এবং অনুজ্জ্বল দেখায় সেইসব ত্বকের জন্য ময়শ্চারাইজার সমৃদ্ধ ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করতে পারেন। গায়ের রং একটু বেশি ফর্সা হলে সেইক্ষেত্রে হালকা পিংক শেড এর পিংক ব্লাস ব্যাবহার করুন।




 লিপস্টিক ঃ ফর্সা ত্বকে লাল বা গোলাপি শেড এর লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। দিনের বেলায় হালকা গোলাপি বর্ণের লিপস্টিক এবং রাতের পার্টিতে গাঢ় রং এর লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। শ্যামলা ত্বকে ব্রাউন কালার লিপস্টিক মানানসই। কাল ত্বকের জন্য উজ্জ্বল রং এর লিপস্টিক ব্যবহারই উত্তম।



 ব্লাশঅনঃ যাদের গায়ের রং ফর্সা তারা একটি গোলাপি আভা বা মেট রং এর ব্লাসন ব্যবহার করতে পারেন। শ্যামলা ত্বকের জন্য যেকোনো ধরনের ব্লাসন ইউজ করতে পারেন। কালো রং এর উজ্জ্বল আভা সম্পন্ন ব্লাসন ব্যবহার করাই উত্তম।



 আই-লাইনার,মাশকারাঃ চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে আই-লাইনার এবং মাশকারা অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। এতে মুখের বাড়তি উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। গায়ের রং এর সাথে মানানসই রেখে আই-লাইনার এবং মাশকারা ব্যবহার করা উচিত। ফর্সা ত্বকের জন্য কালো এবং নীল রং এর আই-লাইনার এবং মাশকারা ব্যবহার করাই উত্তম। শ্যামলা ও কালো রং এর ত্বকের জন্য কালো রং এর আই-লাইনার এবং মাশকারা মানানসই।




Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search