সঠিকভাবে এবং নিয়ম মেনে ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। ত্বকের সমস্যায় পরলে যে সব সময় প্রসাধনী কিনতে হবে তা কিন্ত নয়। হাতের কাছের জিনিস নিয়েই অনায়াসেই ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন। আমাদের শরীরের প্রতিনিয়ত মৃত কোষ উঠে গিয়ে নতুন কোষ জন্মায়। মৃত কোষ ত্বকের উপর ময়লার আস্তরণ বা আবরণ তৈরী করে ত্বককে খসখসে করে তুলে। মৃত কোষ পরিষ্কার করার জন্য চালের গুড়ার স্ক্রাব সব থেকে ভাল। চালের গুড়া বলতে শুধু পিঠা পুলি তৈরী করার উপাদান তা নয়। আমাদের ত্বকের যত্নে চালের গুড়া বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে। আপনি চাইলে শুকিয়ে চালের গুড়া কৌটায় রেখে দিতে পারেন। এতে করে আপনি আপনার প্রয়োজনমতো ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু চালের গুড়া বেশিদিন রাখার পর যদি দেখে তা হলুদ রং ধারন করছে তাহলে ব্যবহার না করে ফেলে দেওয়াই ভাল। চলুন দেখে নেওয়া যাক, চালের গুড়া রুপচর্চা এবং এর উপকারীতা সম্পর্কিত কিছু কথা....

১। চালের গুড়া ব্রুনের দাগ কমায়,ত্বককে করে তুলে কোমল ও মসৃণ।
২। চালের গুড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করে।
৩। আমাদের ত্বকের রোদে পোড়া ভাব ও কালচে ভাব দূর করে।
৪। নাকের দুই পাশের মৃত কোষ তুলতে সাহায্য করে।
৫। চালের গুড়া দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পর আলাদা ময়শ্চারাইজারের প্রয়োজন পরে না।
৬।ডার্ক সার্কেল দূর করতে চালের গুড়ার সাথে ক্যাস্টরওয়েল মিশিয়ে চোখের আশেপাশে লাগিয়ে রাখুন। এতে চোখের কাল দাগ দূর হয়ে যাবে।
৭। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। চালের গুড়া সেনসিটিভ স্কিনেও ব্যাবহার করা যায়।
৮। দুই টেবিল চামচ চালের গুড়া, দুই টেবিল চামচ লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ কাচা দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি পুরো মুখে আলতোভাবে লাগান।১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা দুধের পরিবর্তে শসার রস ব্যবহার করতে পারেন।
৯। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা চালের গুড়া ও দুধের সাথে কমলার রস ব্যবহার করতে পারেন।কমলার রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
১০। ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে চালে গুড়া মধু ও অলিভওয়েল একসাথে মিশিয়ে একটি মাক্স তৈরী করে ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাকগুলো সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করতে পারবেন। এর বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
১১। প্যাক ইউজ করার পর জোরে জোরে ঘষা যাবে না,আলতো করে ঘষা দিতে হবে। নইলে হীতে বিপরীত হতে পারে।