Showing posts with label কফি. Show all posts
Showing posts with label কফি. Show all posts

তৈরি করুন ক্যাপুচিনো

Unknown | November 27, 2017 | | |


যে কোনো ক্যাফেতে গিয়ে ফ্যানা ওঠানো দুধ-কফি খেয়েছেন তো অনেক। এবার নিজের হাতেই যন্ত্র ছাড়া তৈরি করুন।উপকরণ:
ঘন তরল দুধ ২ কাপ। কফি ২ টেবিল-চামচ। চিনি ৩ চা-চামচ বা স্বাদ মতো। ঠাণ্ডা পানি সামান্য বা ১/৪ চা-চামচ।

পদ্ধতি: একটি মগে কফি ও চিনি নিয়ে বিট করুন। যদি কেক বিটার থাকে তাহলে সবচেয়ে ভালো আর যদি হ্যান্ড বিটার / উইস্কিন থাকে তাও চলবে অথবা চামচ দিয়ে জোড়ে জোড়ে ফেটাবেন।

সামান্য পরিমাণ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কফি ও চিনি মিশিয়ে বিট করতে থাকুন যতক্ষণ না মসৃণ মাখনের মতো ও বাদামি রং হয়। সঙ্গে চিনিও গলে যেতে হবে।

অন্যদিকে চুলায় দুধ গরম করুন। খেয়াল রাখবেন দুধের ওপর যেন সর না বসে। তাই চামচ দিয়ে নেড়ে দেবেন।

দুধ ফুটে উঠলে সঙ্গে সঙ্গে বিটারের সাহায্য বিট করুন। যেহেতু গরম দুধ তাই একটু বিটার-টা ‘অফ অন বাটন’ দিয়ে বিট করবেন। তবে বিটার যেন পরিষ্কার থাকে। কফির মিশ্রণ লেগে থাকলে হবে না; কফির রং হয়ে যাবে দুধ।
দেখবেন দুধের ওপর ফ্যানার মতো হচ্ছে।

এবার বিট করে রাখা কফির মিশ্রণ থেকে ১ চা-চামচ বা নিজের স্বাদ মতো কফি নিয়ে আস্তে করে দুধ উপর থেকে মগে ঢালুন যেন ফ্যানা না আসে।

কফি আর দুধ মিশিয়ে উপরে আস্তে করে ফ্যানা বসিয়ে দিন। এবার ইচ্ছে হলে চকলেট সিরাপ বা কোকো পাউডার অথবা আলাদা করে রাখা কফির মিশ্রণ উপরে ছড়িয়ে দিতে পারেন।
ব্যাস গরম গরম ক্যাপুচিনো তৈরি। এই পুরো পদ্ধতিটা করতে হবে খুব দ্রুত যেন দুধ ঠাণ্ডা হয়ে না যায় ।
এই পরিমাণে ছোট মগ বা কাপে হলে তিন’চারজন আর বড় মগে হলে দুতিন জনকে পরিবেশন করা যাবে।

নিয়মিত কফি পানের ফলে পেতে পারেন দীর্ঘায়ু!”

Unknown | November 05, 2017 | | |

বেশিদিন বেঁচে থাকতে হলে নির্দ্বিধায় খেতে পারেন ক্যাফাইন। তাই দীর্ঘায়ুর ওষুধ মনে করে নিয়মিত খেতে পারেন কফি।
আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।
গবেষণায় জানানো হয়েছে, অসুস্থ মানুষের টোটকা হিসেবে কাজ করে ক্যাফাইন। ক্রনিক কিডনি ডিজিসে এই টোটকা নাকি ম্যাজিকের মতো কাজ করে। যারা নিয়মিত কফি খায়, তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের থেকে ২৪ শতাংশ কম। ক্যাফাইনের সেকেন্ড ও থার্ড কোয়ালিটির ক্ষেত্রে ১২ ও ২২ শতাংশ মৃত্যু সম্ভাবনা কমে যায়। ২ হাজার ৩২৮ জন মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়ে এই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

গবেষণায় আরও প্রকাশ পেয়েছে, নিয়মিত কফি থেকে ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও কমে। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের যা মাত্রা থাকে তা দেহের পুষ্টি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শারীরিক পারফর্ম্যান্স এতে ভালো হয়।

ফ্যাট কমে যায়। এনার্জি লেভেল বাড়ায়। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশন হটাতেও সাহায্য করে কফি।
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search