Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts

ভাসুরকে ফাঁসাতে নিজ হাতে সন্তানকে হত্যা

Unknown | January 22, 2019 | | |
 আর ভাসুরকে ফাঁসাতে গিয়ে এক মাসের শিশুপুত্রকে পানিতে ফেলে হত্যা করেছে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক পাষণ্ড মা। নিহত শিশুর মা ও নানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় শিশুটির পিতা লিংকন মিত্র বাদী হয়ে স্ত্রী মনিষা অধিকারী (২০) ও শ্বশুর অবকাশ অধিকারীকে (৫০) আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
আসামিদেরকে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোটালীপাড়া থানার ওসি।
রোববার বিকালে কোটালীপাড়া উপজেলার ওয়াবদারহাট শান্তি কুটিরের পাশের বাড়িতে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। জা বানী মিত্র আর ভাসুর বিলিয়াম মিত্রকে ফাঁসাতে গিয়ে এক মাসের শিশুসন্তান এন্ড্র সীমিয়ন মিত্রকে পানিতে ফেলে দেয় মা মনিষা অধিকারী। এদিন সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল বাড়ির পাশের পুকুর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

সপ্তাহে একদিন কেবলই সবজ ' ব্যক্তিগত ও পেশাজীবনে ভারসাম্য

Unknown | November 13, 2018 | | | |

জীবনের কিছু মৌলিক নিয়ম-কানুন বদলে এই বছরটাকে জীবনের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বছর বানিয়ে ফেলতে পারেন। আসলে নতুন বছর শুরুর আগে থেকেই এ সংক্রান্ত পরামর্শ দিচ্ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সেখান থেকে বেছে বেছে এমন কিছু পরামর্শের কথা এখানে তুলে ধরা হলো যা আপনার কাছে বেশ ভালো লাগবে।

ঘরেই রাধুন টমেটো রাইস

TheRocky | February 23, 2018 | | | | | |

টমেটো একটি জনপ্রিয় ফল। সারা বছরই বাজারে টমেটো কিনতে পাওয়া যায়। শুধু সালাত হিসেবে নয়, কাঁচা টমেটো ভর্তা, টমেটোর চাটনি, কারিতে টমেটো, টমেটো রাইস, টমেটো চিকেনসহ টমেটো দিয়ে তৈরি করা যায় অনেক পদের খাবার। টমেটোর টকমিষ্টি ঘ্রাণ ও খেতেও সুস্বাদু হয়। তাই বেশিরভাগ পরিবার টমেটো খেতে পছন্দ করেন।



পাঠকদের জন্য আজকে থাকছে টমেটোর রাইস। আসুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন টমেটোর রাইস-

যা লাগবে

গুঁড়া মসলার জন্য ঘি ১ টেবিল চামচ, জিরা ১ চা চামচ, ছোলার ডাল ২ চা চামচ, ধনিয়া ১ চা চামচ, পোস্তদানা ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ ২টি, রাইসের জন্য পোলাও চালের ভাত ৩ কাপ, টমেটো কুচি ১ কাপ, সরিষা ১ চা চামচ, হিং কোয়ার্টার চা চামচ, কারিপাতা ১০-১২টি, হলুদ গুঁড়া কোয়ার্টার চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, গুঁড়া মসলা পুরোটাই, ফ্রেশক্রিম ২ টেবিল চামচ, ঘি-তেল ২ টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন

কড়াইতে ঘি-তেল দিয়ে হিং দিন। এবার সরিষা দিন। সরিষা ফুটতে আরম্ভ করলে কারিপাতা দিয়ে ভুনে নিন। এবার টমেটো কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে ঢেকে দিন। টমেটো যখন নরম হবে হলুদ গুঁড়া দিন। আগে থেকে করে রাখা মসলা থেকে ৩ চা চামচ মসলা দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে ভাত দিন। ভাতের সঙ্গে সব মসলা মেশানো হয়ে গেলে ফ্রেশক্রিম দিন। ভালো করে নেড়েচেড়ে অবশিষ্ট গুঁড়া মসলা দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

গ্রিলড পাইনাপেল

Unknown | February 06, 2018 | | |

কথায় আছে রান্না দেখতে ভালো হলে খিদে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। গ্রিলড পাইনাপেলের ক্ষেত্রে এই

ওজন-কমাতে-স্যুপ

Unknown | November 27, 2017 | | |

ওজন-কমাতে-স্যুপ

১। খিদের অনুভুতি কমায়ঃ

এক বাটি স্যুপ খেয়ে দেখুন পরবর্তী বহুক্ষণ ধরে আপনার ক্ষিদে পাবে না।কেননা খানিকটা স্যুপ আপনাকে পেট ভরা বোধ করতে সাহায্য করে। ফলে আপনই ক্যালোরিযুক্ত বা অতিরিক্ত খাবারের জন্যে ক্ষিদেবোধ করেন না। ফলে আপনার ওজন কমাতে এর চেয়ে ভালো কি হতে পারে?

২। ক্যালোরি থাকে একেবারেই কমঃ

ভেজিটেবল স্যুপে থাকে একেবারেই লো ক্যালোরি। ফলে আপনার দেহে ফ্যাট জনতে পারে না। লো ক্যালোরি অথচ দারুণ পুষ্টিকর খাবার স্যুপ দেহে পুষ্টি যোগায় প্রয়োজনমত আপনাকে একটুও মোটা না বানিয়ে।

৩। ভিটামিন দেহের হজমক্ষমতা বাড়ায়ঃ

স্যুপে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আপনার দেহে দরকারী খাদ্যগুণ সরবরাহ করে ও হজমক্ষমতা বাড়ায়। ফলে অতিরিক্ত চর্বি জমার সুযোগ থাকে না।

৪। চর্বি পোড়াতে স্যুপের মশলাঃ

স্যুপে ব্যবহৃত মশলাগুলো কিন্তু দেহের চর্বি পোড়াতে দারুণ কার্যকরী। যেমন, গোলমরিচে থাকা প্রচুর ক্যাপসাইসিন কেবল স্যুপের স্বাদ আর সুগন্ধই বাড়ায় না বরং দেহে জমে থাকা মেদকে পোড়াতে সাহায্য করে।

৫। স্যুপ মেটায় দেহের পানির চাহিদাঃ

স্যুপে থাকা প্রচুর পানি দেহের পানির চাহিদা মেটায় আর সেই সাথে উষ্ণ পানি মেটাবলিজম বাড়ায়। ফলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৬। সবজি খাওয়ার দারুন উপায়ঃ

সাধারণত সবজি কেবল সালাদের সাথে খাওয়াটা বেশ একঘেয়েমী আর কতটাই বা খাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে স্যুপের সাথে মেশালে এই সবজিই কিন্তু হয়ে ওঠে দারুণ উপাদেয়। আর ওজন কমাতে সবজির যে কোন জুড়ি নেই, তা তো আপনি জানেনই!

তো আর দেরী কেন? হয়ে যাক নিজের ও প্রিয়জনের জন্যে দু বাটি স্যুপ। বিকেলের নাস্তায় এর চেয়ে স্বাস্থ্যকর আর কি-ই বা হতে পারে?

বাচ্চাদের জন্য দারুন মজাদার আপেল ক্রেপ রেসিপি

Unknown | November 23, 2017 | | |

ক্রেপ বানানোর উপকরণ ও নিয়ম

ময়দা ২ কাপ
ডিম ১ টা
বাটার/তেল ১৫০ গ্রাম
লবণ ১/২ চা চামচ
পানি ও লিকুইড মিল্ক গোলানোর জন্য যতটুকু দরকার।

** একটা বাটিতে সব উপকরণ নিয়ে এক সাথে মিশিয়ে পাতলা ব্যাটার তৈরী করুন। প্রথমে প্যানে তেল ব্রাশ করে ডালের চামচ দিয়ে এক চামুচ ব্যাটার দিয়ে ঘুড়িয়ে রুটির মত বড় করে নিন। নিচের পার্ট হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এভাবে সব গুলো তৈরী করে রাখুন।
আপেল কম্পত উপকরণ ও নিয়ম

আপেল ৪/৫ টি
চিনি ৪/৫ টেবিল চামচ
দারুচিনি গুঁড়া ১/৪ চা চামচ ২ টুকরা

** আপেল ছোট ছোট করে কেটে বাকি সব উপকরণ দিয়ে ঢেকে রান্না করে নিন। আপেল সিদ্ধ আর পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার ক্রেপের ভিতর কম্পত দিয়ে ৪ ভাজ করে সার্ভ করুন।

ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করার টিপস

Unknown | November 21, 2017 | |
ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা নানা কারণেই ম্লান হতে পারে। তাই জন্মসূত্রে পাওয়া ফর্সা ত্বকও একটা সময় পর অনুজ্জ্বল হয়ে পড়ে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে হলে প্রয়োজন নিয়মিত যত্নের। রইলো তেমনই কিছু টিপস-

ত্বকের রং আরও উজ্জ্বল করার জন্য ত্বকে দই লাগিয়ে প্রায় বিশ মিনিট রেখে দিন তারপরে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন লাগাবেনপ্রথমে লেবুর রস ও ডিমের সাদা অংশ সম পরিমাণে মিশিয়ে তা মুখে লাগিয়ে রাখুন প্রায় বিশ মিনিট তারপর ধুয়ে ফেলুন। ত্বক সুন্দর হবে।

আধা টুকরা করা পাকা কলা নিন এরপর ভালোভাবে চটকে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশান। তারপর মুখে লাগিয়ে প্রায় আধাঘণ্টার মতো রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
যাদের ত্বক অনেক শুষ্ক তারা এক চা-চামচ লাল মসুর এর ডাল গুড়া করে রাতভর দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন তারপর মুখে ও গলায় মাখিয়ে প্রায় বিশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

মেওয়া আর দুধ একসঙ্গে সুন্দর করে বেটে নিন। প্রতিদিন দুই মিনিট করে এই মিশ্রণ মুখে ও গায়ে মাখিয়ে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন ঠান্ডা পানিতে।
একটানা প্রায় ১৫ দিন এক চিমটে জাফরান ও কাঁচা দুধে মিশিয়ে মুখে লাগান প্রত্যেকদিন তারপর ফলাফল দেখুন।

যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুগের ডাল গুড়ো করে সামান্য পানিতে ভিজিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে মুখ স্ক্রাব করুন কারণ ত্বকের উপরে মরে যাওয়া কোষের পরত জমে মুখের ত্বক অনেক কালো দেখায়।

তৈলাক্ত ত্বক হলে এক চা-চামচ কমলালেবুর শুকনো খোসা গুড়ো, এক চা-চামচ মেথি গুড়ো ও কমলালেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মুখে মাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।মধুর সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন প্রায় পনেরো মিনিট। এরপর ধুয়ে ফেলুন। মধু আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করবে এবং লেবু প্রাকৃতিকভাবে ব্লিচিং করবে।

শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে চন্দন, মালাই আর সামান্য হলুদ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। তাতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।

ত্বক উজ্জ্বল করে শসা

Unknown | November 15, 2017 |

ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের কোনও বিকল্প নেই। ত্বকের স্নিগ্ধতা বজায় রাখতে শসা ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। শসার প্রায় পুরোটাই পানি। এছাড়া ভিটামিন সি ও নানা ধরনের গুণসমৃদ্ধ শসা ত্বক উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে। ডার্ক সার্কেল দূর করার জন্য শসা স্লাইস করে চোখের উপর দিয়ে রাখতে পারেন। অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন ত্বকের যত্নে। জেনে নিন ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায় শসা কীভাবে ব্যবহার করবেন।

লেবুর রস ও শসা
তিন টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
কাচের মুখবন্ধ বয়ামে মিশ্রণটি সংরক্ষণ করুন।
দিনে কয়েকবার এই মিশ্রণ দিয়ে মুখ মুছে নিন।
এটি ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল করবে।
গ্রিন টি ও শসা
এক কাপ গরম পানিতে গ্রিন টি মিশিয়ে নিন।
চায়ের লিকার ঠাণ্ডা হলে ১১ টেবিল চামচ লিকারের সঙ্গে ২-৩ টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে নিন।
একটি স্প্রে বোতলে মিশ্রণটি ঢেলে নিন।
মুখ পরিষ্কার করে এটি ব্যবহার করুন।
অ্যালোভেরা জেল ও শসা
২ টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন।
তুলার ছোট টুকড়া মিশ্রণে ডুনিয়ে মুখে লাগান ঘষে ঘষে।
দিনে কয়েকবার ব্যবহার করতে পারেন ত্বকে।
শসা ও ভিটামিন ই
ভিটামিন ই ট্যাবলেট থেকে তেল বের করে নিন।
তেলের সঙ্গে ২ চা চামচ শসার রস মেশান।
খুব ভালো করে ঘষে ঘষে ত্বকে লাগান মিশ্রণটি।
নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে ফিরে আসবে প্রাণ।
গোলাপজল ও শসা
১ টেবিল চামচ শশার রসের সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপজল মিশিয়ে নিন।
একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে নিন মিশ্রণটি।
ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে তারপর এটি স্প্রে করুন।
এটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের বাড়তি তৈলাক্তভাব দূর হবে।
টমেটো ও শসা
১ টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ চা চামচ টমেটোর রস মেশান হবে।
দিনে অন্তত একবার মুখে এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। ত্বক থাকবে সুস্থ ও সুন্দর।
গ্লিসারিন ও শসা
আধা চা চামচ গ্লিসারিনের সঙ্গে ১ চা চামচ শসার রস মিশিয়ে নিন।
মিশ্রণটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন ত্বকে। ত্বক নরম হবে।

মাইগ্রেনের ওষুধ সেক্স

Unknown | November 10, 2017 |

মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় অনেকেই অতিষ্ঠ। মাইগ্রেন হলো এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা যা মাথার যেকোন এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব এবং রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে। তবে এই সমস্যার সমাধান দিয়েছেন গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, মাইগ্রেনের অন্যতম দাওয়াই হলো সেক্স।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাইগ্রেন সমস্যা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হচ্ছে শারীরিক সম্পর্ক। সেফালালজিয়া জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় গবেষকরা বলছেন, শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হলে প্রায় এক তৃতীয়াংশ রোগী মাইগ্রেন এবং ক্লাস্টার হেডএইক থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এমনকি বেশ কয়েকজন রোগীও জানিয়েছেন যে মাইগ্রেনের সমস্যায় তাদের অন্যতম ওষুধ হলো সেক্স।

শারীরিক সম্পর্কের সময় ইনড্রোফিনস নামক হরমোন নির্গত হয়, যাকে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক বলা হয়ে থাকে। এই হরমোন আংশিক কিংবা পুরোপুরি মাথা ব্যথা সাড়াতে সক্ষম বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

গবেষক ও জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব মানস্টার এর নিউরোলজিস্ট স্টিফান এভারস বলেন, ‘এক তৃতীয়াংশ রোগী জানিয়েছেন যে তারা সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির মাধ্যমে মাইগ্রেন অ্যাটাক থেকে মুক্তি পেয়েছেন।’

গবেষকরা বলছেন, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির ফলে এনডরফিন উৎপন্ন হয় যা মস্তিষ্কে ন্যাচারাল পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে।

গবেষণাটি ৮০০ রোগীর উপর চালানো হয়েছে যাদের মাইগ্রেন আছে এবং ২০০ জনের উপর যাদের ক্লাস্টার হেডএইক আছে। সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি কীভাবে তাদের মাথা ব্যথার প্রকোপ কমিয়েছে সেটা তারা জরিপে জানিয়েছে।

এতে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনে অন্তত ৪ জন জানিয়েছে, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমিয়ে দেয়। ৬০ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের মাথা ব্যথা পুরোপুরি অথবা কিছুটা কমে। তবে এক কিছু মানুষ জানায়, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমানোর বদলে উল্টো বাড়িয়ে দিয়েছে। লাইভ সাইন্স।

গাজরের গুণের কথা জানতেন?

Rocky | November 03, 2017 |

শীতকালীন সবজি হলেও গাজর সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত উপকারিতাও অনেক বেশি। গাজর সর্বোৎকৃষ্ট মানের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য। যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ডি, ই, কে, বি১ এবং ভিটামিন বি৬। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, অর্গানিক সোডিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ।

  • গাজরের ক্ষারীয় উপাদান রক্তের অম্লতা ও সুগারের সামঞ্জস্য ঠিক রাখে।
  • রক্তে বিষক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট হয় ব্রণ। গাজরের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • গাজরের এন্টি-অক্সিজেন্ট বিভিন্ন রোগ সংক্রামক থেকে শ্বাস-প্রশ্বাস পদ্ধতিকে নিরাপদে রাখে।
  • প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে একটি করে গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি দূর করে।
  • গাজর মানব দেহের রক্ত কণিকা উৎপাদনে খুবই কার্যকর।
  • গাজরের জুস নিয়মিত পান করলে হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।
  • গাজরের সার বস্তু রক্তের জলীয় ভাগ এবং কোলস্টেরলের মাত্রা কম রাখে।
  • গাজরের জুস কফ, সাইনোসাইটিস, কণ্ঠনালীতে শ্লেষ্মাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।
  • গাজরের জুস নিয়মিত পানে শারীরিক অবসন্নতা দূর হয়।
  • গাজর শরীরে বিভিন্ন প্রজ্বলন ভাব, বাত রোগ ও গেঁটেবাত থেকে রক্ষা করে।
  • প্রতিদিন গাজরের জুস পান করলে সিগারেটের ধোঁয়ার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে জীবন রক্ষা করে।
  • গাজরের পুষ্টিকর উপাদান চক্ষু সম্বন্ধীয় ক্রিয়া-পদ্ধতিকে উৎকৃষ্ট অবস্থায় রাখে।
  • গাজরের জুসের পুষ্টিকর উপাদান কিডনিকে পরিষ্কার ও পরিশ্রাবণ করতে সাহায্য করে।
  • গাজরে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বককে কোমল রাখে, ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে এবং অন্যান্য সমস্যা দূর করে।

গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে শেষের কয়েক মাস নিয়মিত গাজরের জুস পান করলে বাচ্চার জন্ডিসের সম্ভাবনা দূর হয়ে যায়।
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search