Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts

স্ত্রী কী করছেন কলেজে, দেখতে বোরকা পরে হাজির স্বামী

Unknown | January 21, 2019 | | |
ময়মনসিংহে অনার্সের মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে বোরকা পরে কেন্দ্রে প্রবেশ করার অপরাধে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। তবে আটককৃত যুবকের দাবি, তার স্ত্রী পরীক্ষা দেওয়ার নাম করে কি করছে, তা দেখতেই তিনি ছদ্মবেশে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন।
আটককৃত যুবকের নাম মাহমুদুল হাসান (২৮)। তার বাড়ি শেরপুর জেলায়। জামালপুরের আইবিএ কলেজে করণিক পদে চাকরি করেন তিনি।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বোরকা পরে পুরুষের বাথরুম থেকে এক নারীকে বের হতে দেখে সন্দেহ হয় কলেজ কর্তৃপক্ষের। পরে তাকে আকট করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন বোরকা পরিহিত ওই ব্যক্তি নারী নয়, পুরুষ।

মাহমুদুলকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন সাত বছর প্রেমের পর বিয়ে করেন মাহমুদুল হাসান ও জুলেখা খাতুন (২৫)। পরে ভালোভাবেই চলছিলো তাদের সংসার। কিন্তু হঠাৎ একটি মোবাইল ফোন কলের কারণে জুলেখাকে সন্দেহ করা শুরু করেন মাহমুদুল।

জানা গেছে, সোমবার স্ত্রীর অনার্স মৌখিক পরীক্ষা থাকায় একসঙ্গে ট্রেনচেপে জামালপুর থেকে ময়মনসিংহ শহরে আসেন তারা। পরে রিকশায় করে স্ত্রীকে কলেজ গেটে নামিয়ে দেন তিনি। এরপর স্ত্রীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠিয়ে বাইরের দোকান থেকে বোরকা কিনে এনে কলেজে প্রবেশ করেন মাহমুদুল।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল বলেন, স্ত্রী কি করছে সেটা জানতে বোরকা পরে ছদ্মবেশে কলেজে প্রবেশের ঘটনাটি আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন মাহমুদুল হাসান।

মাধ্যমিক স্কুলে কমিটি করবে ছাত্রলীগ

Unknown | November 22, 2017 | |

মাধ্যমিক স্কুলে কমিটি তৈরি করতে সব সাংগঠনিক ইউনিটকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ এ নির্দেশ দেয়।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ আজ বুধবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্কুলে কমিটি মোটেও নতুন কিছু নয়। আমাদের গঠনতন্ত্রে স্কুল কমিটি করার বিষয়টি আছে। আমাদের স্কুলছাত্রবিষয়ক সম্পাদকও আছে।’

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, শুধু ছাত্রলীগ নয়—ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্কুল পর্যায়ের কমিটি আছে। আর এ রীতি চালু আছে দীর্ঘদিন ধরে। এসব সংগঠনের গঠনতন্ত্রেই স্কুল কমিটি করার বিষয়টি উল্লেখ আছে।

তবে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রসংগঠনের কমিটির বিরোধিতা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাজ লেখাপড়া করা, খেলাধুলা, বিতর্ক বা অন্যান্য সাংস্কৃতিক চর্চা করা। এখানে তাদের রাজনীতি শেখানোর কোনো দরকার নেই।’ শুধু স্কুল নয়, কলেজ পর্যায়েও ছাত্রসংগঠনের বিরোধিতা করেন এই শিক্ষাবিদ।

ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের স্বাক্ষর করা বিবৃতিতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশে ছাত্রলীগকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে’ এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিটি গঠনসংক্রান্ত বিষয়ে সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় সংগঠনটির স্কুলছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীনকে।
সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘ছাত্রসংগঠন স্কুলে করাটা বরং ভালো। কেননা এর ফলে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক জ্ঞান বৃদ্ধি পায়।’ তিনি বলেন, ছাত্রলীগের জন্মের পর থেকেই স্কুলে তাদের কমিটি আছে।

এখন কত স্কুলে কমিটি আছে, সেই সংখ্যা বলতে না পারলেও তিনি জানান, বিশেষ করে ফেনী, নোয়াখালী অঞ্চলের অনেক স্কুলে তাদের কমিটি আছে। আর নতুন করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কারণ তাঁর মতে, এসব সংগঠনের সংখ্যা বাড়ানো।
সোহাগের মতোই স্কুলে সংগঠনের কমিটি করার মধ্যে কোনো ‘অনৈতিকতার’ কিছু দেখেন না জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়, বরিশাল ও নোয়াখালীর বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের কমিটি রয়েছে। ছাত্রদলের স্কুলবিষয়ক একটি সম্পাদকের পদ আছে বলে জানান রাজীব।

বাম ধারার ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী জানান, অষ্টম শ্রেণির পর থেকে সংগঠন করার নিয়ম আছে তাদের সংগঠনে। এই রীতিও পুরোনো। আর স্কুলে সংগঠন করার বিষয়টি তাদের গঠনতন্ত্রেই রয়েছে।
অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বড় দুই দল আদর্শহীন রাজনীতি করে। এই আদর্শহীনতা স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাওয়া মোটেও উচিত নয়।’ স্কুল পর্যায়ে কমিটি বন্ধ করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে একে অন্যকে গালিগালাজ করা, দোষারোপ করা একটি সহজাত অভ্যাস। একজন শিক্ষার্থী কি এসব শিখবে ছোটবেলাতেই?’ তিনি বলেন, স্কুলে কমিটি করার অর্থ হলো এসব মূলধারার বা সরকারি দল সমর্থক সংগঠনের শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন ফাঁস করা শিখবে।

বাম সংগঠনের প্রতিও সৈয়দ মনজুরুলের আহ্বান কমিটি করা থেকে বিরত থাকার। তিনি বলেন, যে কাঠামোর মধ্যে এসব সংগঠন চলছে, সেখানে সংগঠন করার কোনো দরকার নেই। তারা কী শিক্ষার্থীদের বিতর্ক করতে শেখাবে, আবৃত্তি করতে শেখাবে? স্কুলে এগুলোই দরকার। তাদের রাজনীতির দরকার নেই। উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি শেখার যথেষ্ট সময় আছে।

পাচারকারীদের নজর রোহিঙ্গা শিশুদের উপর

TheRocky | November 08, 2017 | |


ঝড়ের মৌসুম শেষ হয়েছে বটে কিন্তু এখনো স্বস্তির বাতাস আসেনি বেশ কিছু রোহিঙ্গাদের মধ্যে। এমনই একজন নূর আলম। দুই দিন ধরে খুঁজে খুঁজেও নিজের ছয় বছর বয়সী মেয়ে ফাতেমাকে পাচ্ছেন না তিনি।

তিনটি অস্বাস্থ্যকর টয়লেটের পাশেই ঘর ছিলো ফাতেমাদের। দুই দিন আগে ঘরের পাশেই খেলা করতে যায় সে এরপর আর ফিরে আসেনি।

আশেপাশের কেউ তার কোনো খোঁজও জানে না। থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে আলম বলেন, খুব চিন্তা হচ্ছে। ওকে হয়তো কেউ বিক্রি করে দিয়েছে বা অন্য কোথাও নিয়ে চলে গেছে। লোকজন তো বলছে এমনটা এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছেই।

তার ভয়টা নেহাত অমূলক নয়। জাতিসংঘের তথ্য বলছে, এই অঞ্চলে পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য আগে থেকেই ছিলো। নতুন লাখ লাখ রোহিঙ্গা আসায় তাদের অপতৎপরতা আরো বেড়েছে।

মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ১০ জনে ৬ জনই শিশু। সেখানে থাকা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শিশু বিশৃঙ্খলার মধ্যে তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখান থেকে চুরি করে রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে গৃহকর্মী হিসেবে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টাও করছে পাচারকারীরা।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেড অব চাইল্ড প্রোটেকশন জিন লিবি বলেন, এটা খুবই বড় ঝুঁকি। ছোট্ট মেয়েরা এই ধরনের পাচারের শিকার হতে পারে, পরে বড় কোনো একটি শহরে চলে যেতে পারে।

আরেক রোহিঙ্গা নাজির আহমেদ দুই মাস আগে এই এলাকায় একটি তথ্য সেন্টার স্থাপন করেন। তিনি জানান, এরই মধ্যে ১৮০০ শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে এই সেন্টার।নাজির আহমেদ

গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম ছাড়া এই সেন্টারের যন্ত্রপাতি হচ্ছে একটি কাঠের টেবিল আর একটি বড় মাউথপিস। কিন্তু সূর্য উঠলেই প্রিয়জনের খোঁজে আসা মানুষের ভিড় লেগে যায় তার কাছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখানে নতুন। তাই তাদের ঘর থেকে দূরে গেলেই তারা সহজে হারিয়ে যায়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এর আগেও পাচারকারীর দৌরাত্ম্য দেখেছেন নাজির। তিনি জানান, এক রোহিঙ্গা তার শিশুকে রেখে পাশের দোকানেই কিছু কিনছিলো, তখনই পাচারকারী সন্তানটিকে নিয়ে যেতে চায়। এসময় তার আত্মীয় এসে তাকে উদ্ধার করে। এসব দেখেই নাজির সবাইকে সচেতন শুরু করতে থাকে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুধু পাচারকারীরাই সন্তান ছিনিয়ে নিচ্ছে তেমনটা নয়। কিছু কিছু বাবা-মা তাদের সন্তানকে শিশুশ্রম যেমন কক্সবাজারে মাছ শুকানোর কাজ করার জন্য বিক্রিও করে দিচ্ছে বলে জানায় ইউনিসেফ। মাত্র ১৮০০০ টাকায় তারা কিনে নিচ্ছে শিশুদের। যে ঋণ শিশুটিকে নয় মাসের মাছ ধরার মৌসুমে কাজ করে পূরণ করে দিতে হবে।

সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য ইউনিসেফ এই পরিমাণ টাকা পিতামাতাকে দিচ্ছে। সঙ্গে কিছু ব্যবসার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছে। কিন্তু টাকা কম থাকায় সেটাও খুব বেশি পরিমাণে সম্ভব হচ্ছে না

২৯ হাজার রোহিঙ্গা এতিম শিশু শনাক্ত

Unknown | November 02, 2017 | |

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী ৬ লাখ ১৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিকের মধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোট ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬ শত ৫৮ জনের নিবন্ধন করা হয়েছে। এ ছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তর আলাদাভাবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৯ হাজার ২২ জন এতিম শিশু শনাক্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার এক তথ্য বিবরণীতে এ খবর জানানো হয়। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ এগিয়ে চলছে।

বৃহস্পতিবার কুতুপালং-১ ক্যাম্পে ১ হাজার ৩ শত ৯৭ জন পুরুষ ও ১ হাজার ২ শত ১৯ জন নারীসহ ২ হাজার ৬ শত ১৬ জন, কুতুপালং-২ ক্যাম্পে ১ হাজার ২২ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৩৭ জন নারীসহ ২ হাজার ৫৯ জন, নোয়াপাড়া ক্যাম্পে ২ শত ৯০ জন পুরুষ ও ৩ শত ৭০ জন নারীসহ ৬ শত ৬০ জন, থাইংখালী-১ ক্যাম্পে ১ হাজার ১ শত ৫৭ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৪ শত ১৫ জন নারীসহ ২ হাজার ৫ শত ৭২ জন, থাইংখালী-২ ক্যাম্পে ১ হাজার ৩ শত ৯৬ জন পুরুষ ও ৮ শত ৩২ জন নারীসহ ২ হাজার ২ শত ২৮ জন, বালুখালী ক্যাম্পে ১ হাজার ১ শত ৩৫ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৪ শত ৫২ জন নারীসহ ২ হাজার ৫ শত ৮৭ জন, লেদা ক্যাম্পে ১ শত ৯৯ জন পুরুষ ও ২ শত ৭ জন নারীসহ ৪ শত ৬ জন এবং আজ ৭টি কেন্দ্রে মোট ১৩ হাজার ১ শত ২৮ জনের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা হয়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এই নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে।

কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) রিপোর্ট অনুযায়ী ২৫ আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমার নাগরিকের সংখ্যা ৬ লাখ ১৫ হাজার। অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় এ সংখ্যা বাড়ছে।

গুগলের দুটি পুরস্কার পেল বাংলাদেশ

Unknown | October 31, 2017 | |

গুগল লোকাল গাইড সামিটে দুটি পুরস্কার অর্জন করেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যার্লিফোনিয়ায় গত ১০-১২ অক্টোবর গুগল লোকাল গাইড সামিট অনুষ্ঠিত হয়। এবারের সামিটে ৬২টি দেশের মধ্যে ১৬টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যারা একসঙ্গে দুটি পুরস্কার পেয়েছে।
সামিটের শেষ দিন ১২ অক্টোবর রাতে পুরস্কার ঘোষণা করা। বাংলাদেশের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন বাংলাদেশ লোকাল গাইডের মডারেটর মাহাবুব হাসান এবং বেস্ট স্যুভিনিয়র অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন সোনিয়া বিনতে খোরশেদ।

মাহাবুব হাসান জাগো নিউজকে বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা যেহেতু গুগল ম্যাপে দেশের পর্যটনকে বেশি ফোকাস করি তাই এ পুরস্কারপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছি। পুরস্কার ঘোষণার মঞ্চে যখন দুইবার বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করা হয় তখন সবাই উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে ছিল আমাদের দিকে।

মাহাবুব হাসান আরো বলেন, সামিটে একটা পর্ব ছিল বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী কোনো খাবার বা পণ্য বিনিময় করা। আমরা নকশি পিঠা সবাইকে দিয়েছিলাম। এটি হাতে তৈরি পিঠা শুনে সবাই অবাক হয়েছিলেন এবং ব্যাপক প্রশংসা করেন।

তিন দিনব্যাপী এ সামিটে ছিল সামাজিক ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সেমিনার এবং গুগল ম্যাপভিত্তিক সমাজ সেবা বাড়ানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা। এবারের সামিটের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল আক্সেসেবিলিটিস, ফিজিক্যাল ডিজেবিলিটিস, ইমেজ প্রসেসিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ও ইউজার জেনারেটেড কন্টেন্ট।

সামিটে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন গুগল ম্যাপের ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইস আন্দ্রে বেরোস। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন গুগলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সামিটে গুগলের কিছু প্রজেক্ট দেখানো হয় যা আগামী বছর সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, লোকাল গাইড হচ্ছে গুগলের ম্যাপভিত্তিক এক পরিসেবা। যার মাধ্যমে আপনি ম্যাপের বিভিন্ন স্থানের বিবরণ ও অন্যান্য সুবিধাগুলো তুলে ধরতে পারবেন। যেমন, কোন রেস্টুরেন্টের খাবারের মান কেমন, ওই রেস্টুরেন্টে হুইল চেয়ার প্রবেশ করতে পারে কি না, হুইল চেয়ার ব্যবহার উপযোগী টেবিল আছে কি না ইত্যাদি। এ ছাড়া এই ফোরামের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত সমস্যাগুলো সবার সামনে তুলে ধরা যায়। পরে গুগল সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করে থাকে।

আমাদের দেশে ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশ লোকাল গাইড কাজ করে যাচ্ছে।

গাড়ীবহরে হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত

Unknown | October 29, 2017 | |
গাড়ীবহরে হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত

ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়ী বহর ও সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের পরিচয় পাওয়া গেছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও ফেইসবুকের মাধ্যেমে তাদের একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা ছাত্রলীগ কর্মী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা। তবে পুলিশ এখনো সনাক্ত করতে পারেনি।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুক থেকেও নিশ্চিত হওয়া গেছে, হামলাকারিদের একজন শর্শদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি রিয়েল।

একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলমের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে।

অবশ্য স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হচ্ছে।

শনিবার মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশ আসা রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন খালেদা জিয়া। ফেনী জেলার ফতেহপুর এলাকায় হঠাৎ করেই খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরের পেছনের দিকে হঠাৎ হামলা চালায় ৩০/৪০ জন যুবক।

এসময় বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি, একাত্তর, চ্যানেল আই, বৈশাখী, প্রথম আলোসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের গাড়ী ভাঙচুর করা হয়। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

২৫ বছর স্বাধনার পর l ফকির লালন শাহ'র (Fakir Lalon Shah) প্রথম মুখমন্ডল আ...

Unknown | October 24, 2017 | |

ফকির লালন শাহ'র চেহারা দেখতে কেমন ছিল? আপনি জানেন কি?

২৫ বছর স্বাধনার পর

ফকির লালন শাহ'র প্রথম মুখমন্ডল আকলেন চিত্রশিল্পী মহীউদ্দিন সোহাগ

সে কি পাবে এর মূল্য?

ইলিশ সাঁতরে গেছে আসাম, ১০০ রুপি দাম

Unknown | October 24, 2017 |

বাংলাদেশের ইলিশ মাছ এবার আসামেও ধরা পড়ছে। গত রোববার রাতে ইলিশ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ব্রহ্মপুত্রের ওপারেও প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। আসামে এভাবে ব্যাপক ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা এবারই প্রথম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সেখানে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাত্র ১০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ব্রহ্মপুত্রে এবার প্রচুর ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা উলিপুর। দুদিন আগে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর এখানকার জেলেরা সীমান্ত পর্যন্ত মাছ ধরতে গেছেন। জেলেদের মাধ্যমে জানা গেছে, ওপারে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ি জেলার খাগড়ারচরেও প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সরকারের সংরক্ষণ নীতি ও জাটকা নিধন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ইলিশের উৎপাদন বেশি হচ্ছে। মেঘনা ও যমুনা নদীতে বাধা না পেয়ে ব্রহ্মপুত্র পর্যন্ত চলে আসছে ইলিশ। এর সুফল এবার আসামও পাচ্ছে। উৎসবমুখর পরিবেশে সেখানে ইলিশ ধরার ধুম পড়েছে। আসামে ব্যাপক হারে ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা এবারই প্রথম বলে তিনি জানান।
প্রথম আলোর আগরতলা প্রতিনিধির তথ্যেও ঘটনার সত্যতা মিলেছে। বিচিং চর, ফকিরগঞ্জ, জলেশ্বরসহ কয়েকটি এলাকায় ধুবড়ির ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ সেখানে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০০ রুপি। সেখানের মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ইলিশ সংরক্ষণে কঠোর পদক্ষেপের কারণে লাভবান হচ্ছে আসাম। পদ্মাকে পাশ কাটিয়ে ব্রহ্মপুত্র ধরে এখন আসামমুখী ইলিশের ঝাঁক। অন্য সময় জেলেরা হা–পিত্যেশ করে মরলেও ইলিশের টিকিটিরও দেখা মিলত না। এখন প্রচুর ইলিশ উঠছে বাজারে। ধুবড়ি থেকে আইনজীবী ড্যানিয়েল হাসান শেখ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, তিন-চার বছর ধরে স্থানীয় বাজারে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। আগে আসত বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে। এখন টাটকা ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের মতো ভারতেও ইলিশ ধরা নিয়ন্ত্রণ করা হলে আরও বেশিসংখ্যক মাছ পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ মাছ সংরক্ষণের জন্য গত ১ থেকে ২২ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের এই অভিযান ৯০ ভাগ সফল হয়েছে। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১০ ভাগ সফল হয়নি। তবে আগের চেয়ে জেলেরা অনেক সচেতন হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম নিয়ামুল নাসের প্রথম আলোকে বলেন, ব্রিটিশ ভারতে আসাম, মেঘালয়, কলকাতায় বাংলাদেশের ইলিশ মাছ বাজারজাত করা হতো। ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের কারণে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকায় ইলিশ যমুনা হয়ে ব্রহ্মপুত্রে চলে যাচ্ছে। সংরক্ষণ ও নদীর প্রবাহ যদি স্বাভাবিক রাখা যায়, তাহলে এভাবে ইলিশের সুফল এপার-ওপার দুই বাংলা সহজে পেতে পারে। তিনি জানান, ইলিশের পরিপক্বতার মাত্রা পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে বছরে দুটি প্রধান প্রজনন মৌসুম নিরূপণ করা হয়েছে। একটি ভাদ্র-আশ্বিন (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) ও অন্যটি অগ্রহায়ণ-পৌষ (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) মাসে।
ইলিশ সারা বছরই অল্পবিস্তর প্রজনন করে থাকে। ইলিশের প্রজনন সাধারণত সান্ধ্যকালীন হয় এবং ভাদ্র-আশ্বিন ও অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসের ভরা পূর্ণিমার আগের সাত দিন, পূর্ণিমার দিন ও পূর্ণিমার পরবর্তী সাত দিন পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। ইলিশ মাছ যত বড় হয়, তা তত সুস্বাদু হয়। সাধারণত আমরা যেসব ইলিশ খাই, ৩৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের, সেগুলো এক থেকে দুই বছর বয়সী। এগুলোকে অন্তত চার বছর পর্যন্ত বড় হওয়ার সুযোগ দিলে তিন কেজির ইলিশ পাওয়া সম্ভব। এতে উৎপাদনও বাড়বে।

ভারতের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ।ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) এর ইকোসিস্টেম ফর লাইফ নামের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৭-৮৮ সালে দুই লাখ টনের নিচে ছিল ইলিশের উৎপাদন। এরপর থেকে প্রায় এক যুগ পর্যন্ত আড়াই লাখ টনের মধ্যে ওঠা-নামা করেছে ইলিশের উৎপাদন। তবে ২০০২-০৩ সালের দিকে আশঙ্কাজনক হারে দুই লাখ টনের অনেক নিচে নেমে আসে উৎপাদন। মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ওই সময় পরীক্ষামূলকভাবে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়। যার সুফল পরের বছর থেকেই পাওয়া যেতে থাকে। এখন প্রতিবছরই বাড়ছে ইলিশের উৎপাদন। সর্বশেষ ইলিশের উৎপাদন হয়েছে প্রায় চার লাখ।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুসারে, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪৫ টন ইলিশ ধরা হয়। এর মধ্যে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫২০ টন নদ-নদী ও উপকূলীয় এলাকা থেকে এবং ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৫ টন সাগর থেকে ধরা হয়। আগে প্রায় ৯০ ভাগ ইলিশই পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কুমার, বলেশ্বর, ধলেশ্বরী, গড়াই, পায়রা, চিত্রা নদী থেকে ধরা হতো। পরবর্তী সময়ে পদ্মার উজানে ভারতের অংশে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে পদ্মা নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা বহুলাংশে কমে যায় এবং স্থানে স্থানে চর পড়া শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে ইলিশের আহরণ কমতে থাকে এবং মেঘনার নিম্ন অববাহিকা, উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্র থেকে ইলিশের আহরণ বাড়তে থাকে। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ নদ-নদী থেকে যে পরিমাণ ইলিশ আহরণ করা হয়, এর দ্বিগুণ পরিমাণ সাগর থেকে আহরিত হচ্ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩ লাখ ৯৮ হাজার টন ইলিশ মাছ উৎপাদিত হয়েছে।

সূত্র : প্রথম আলো

তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, কাল বিক্ষোভ

Unknown | October 23, 2017 | |

রাজধানীর তেজগাঁও থানায় করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ পরোয়ানা জারি করেন।
অন্য দুজন হলেন একুশে টিভির (ইটিভি) তৎকালীন (২০১৫) সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও মাহাথীর ফারুকী। জামিনে আছেন ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালাম ও সাংবাদিক কনক সারওয়ার।

এদিকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে কাল মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যুবদল। সংগঠনটি বলেছে, তারা কাল দেশের সব জেলা সদর ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে। যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারিতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ইটিভির তৎকালীন চেয়ারম্যান আবদুস সালামের বিরুদ্ধে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। তেজগাঁও থানায় এসআই বোরহান উদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

এজাহারে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেওয়া কিছু বক্তব্য ইটিভিতে সরাসরি প্রচারিত হয়। এরপর ৬ জানুয়ারি তেজগাঁও থানার পুলিশ তারেক রহমান ও আবদুস সালামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে ৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রদ্রোহের ওই মামলা হয়। মামলায় পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছরের ৩ আগস্ট এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

ধৈর্য্য কূটনৈতিকভাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান: প্রধানমন্ত্রী

Unknown | October 23, 2017 | |

মিয়ানমারের সঙ্গে বাড়াবাড়ি নয়, ধৈর্য্য ধরে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে মিয়ানমার থেকে চাল আমদানির প্রসঙ্গ উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা জানান। তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। সূত্র জানায়, বৈঠকে চাল গম আমদানির বিষয় নিয়ে আলোচনা ওঠে। এ সময় মিয়ানমার থেকে চাল আমদানির প্রসঙ্গটি আসে। তখন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন মিয়ানমার তো বর্বর ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা সেখান থেকে চাল আনছি। অর্থমন্ত্রী এ কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা ঠিক, তবে বাড়াবাড়ি, ঝগড়া করে তো সমস্যার সমাধান করা যাবে না। ধৈর্য্য ধারণ করে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে হবে। যদি আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে বাড়াবাড়ি করতাম তাহলে বিশ্বজনমত আমাদের পক্ষে থাকতো না। বিশ্ব জনমত আমাদের পক্ষে আছে। আমরা কারো উস্কানিতে পা দেবো না। আমাদের মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো। কূটনৈতিক তৎপরতাও চলবে, মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যও চলবে। ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ রাখা যাবে না। তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সম্পর্ক চলছে। কিন্তু তাদের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্যও চলছে। আমরা কূটনৈতিকভাবে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করবো এটাই আমাদের লক্ষ্য। আমি যখন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ছিলাম তখন মিয়ানমার উস্কানি দিয়েছে। আমরা তাতে কান দেইনি। আমরা বাড়াবাড়ি করলে হয়তো পরিস্থিতি অন্য রকম হতো।

সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশে খাদ্যের কোনো সমস্যা হবে না। প্রচুর চাল, গম আমদানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেসরকারিভাবে ১৯ লাখ মেট্রিক টনের বেশি চাল গম আমদানি হয়েছে। সরকারিভাবে ৭/৮ লাখ মেট্রিক টন চাল-গম আমদানি হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টন চাল-গম আমদানি হবে। খাদ্যের সমস্যা নেই।
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search