ইস মেদ, ভুড়ির কারনে একটা প্রেমিকা জুটলো না কপালে? "তাহলে সঠিক নির্দেশনা গুলো পড়ে নিন !!!!! কিভাবে শরীরের বাড়তি মেদ, ভুড়ি এবং ওজন কমাবেন"

Unknown | October 14, 2017 | |
শরীর স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে এবং ওজন কমাতে হলে আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। বর্তমানে সবাই চাই বডি স্লিম রাখতে। কারণ অতিরিক্ত মেদ থাকলে খুব খারাপ দেখা যায় এবং বিভিন্ন রোগেরও প্রকোপ দেখা দেয়। তাই ওজন কমাতে হলে চলাফেরা ও খাদ্য অভ্যাস এ বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ওজন কমানোর জন্য তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই। ওজন কমাতে হলে একটু সময় নিয়ে ধৈর্য্য ধরে নিয়ম মেনে চলতে হবে,হতাশ হবার কিছু নেই। কারণ আপনার শরীরের ওজন একদিনে বাড়ে নি।তাই ওজন কমাতে হলে আপনাকে একটু সময় দিতে হবে। বর্তমান সময়ে কেউই ওজন বাড়াতে চান না, সবাই চান কমাতে। তাছাড়া শরীরের বাড়তি ওজন নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগে এবং অস্বস্তি লাগে। খেতে পারবেন না ফাস্টফুড। কোমল পানীয় এবং ড্রিংকস ত্যাগ করতে হবে। খাবারের তালিকায় এমন সব খাবার রাখতে হবে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ভাজাপোড়া,তৈল,চর্বি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে প্রচুর পরিমানে মৌসুমি ফোল-মূল ও সবজি। মেদহীন বডি সবার ই কাম্য। শরীরের বাড়তি মেদ বা ভূড়ি দেহের সৌন্দর্য নষ্ট করে। এখন আমি আপনাদেরকে কিছু খাবারের কথা বলব যেগুলো শরীরের বাড়তি মেদ বা ওজন কমাতে সহায়ক হবে।




১।লেবু পানি ও মধু ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া কোনো ভারি বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর লেবু পানি পান করলে দেহের বাড়তি চর্বি কেটে যাবে।

২।  প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। প্রতিবেলা খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা আগে পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করলে অন্যান্য খাবারের চাহিদা কমে যায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

 ৩।আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে পরিপাকতন্ত্র সুস্থ্য থাকবে এবং ওজনও কমবে।

৪।  অনেকেই শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর জন্য ডায়েট করে থাকেন এতে করে শরীরের ওজন বেড়ে যায়। তাই একেবারে ডায়েট না করে নিয়মমাফিক প্রতিদিন অল্প অল্প করে ৫-৬ বার খান।

৫।  যতটা সম্ভব তেল এবং মসলা কম দিয়ে রান্না করার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত তেল এবং মসলা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

 ৬।প্রতিদিন খাবারের তালিকায় অন্যান্য খাবারের সাথে সবজি সুপ বা ভেজিটেবল সুপ রাখতে পারেন। এক গবেষণায় দেখে গেছে যে সবজি সুপ শরীরের মেদ বা অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৭। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় ফলের সালাদ বা জুস রাখতে পারেন।
৮। সকালের নাস্তার সাথে গ্রীন টি পান করুন। গ্রীন টিও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

 ৯।প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে সবজি খান। সবজি হজমে এবং বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। এতে ক্যালরি কম কিন্তু ভিটামিন বেশি থাকে।

 ১০।লাল আংগুর এর রয়েছে বহু গুন। যার মাঝে আছে ভিটামিন এ,আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস ইত্যাদি মিনারেলস এ ভরপুর। প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে আংগুর খান, এটি ওজন কমাতে এবং হাড়ের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে। লাল আংগুর এর এন্টিঅক্সিডেন্ট গুলি অনেক ধরনের ক্যান্সারসহ নানা রোগের প্রতিরোধক সহায়ক হিসাবে কাজ করব। যেমন,মুখ, ফুসফুস,গলবিল এবং লাল মদ ও হৃদরোগের জন্য ভাল।

 ১১।দইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন। এর ব্যাকটেরিয়া হজমে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

১২। নিদ্রাহীনতা ও ঘুম ওজন বাড়ায়। তাই সঠিক সময়ে ঘুমের অভ্যাস করব তুলতে হবে।

 ১৩।চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন।

১৪। প্রতিদিন শরির সুস্থ্য রাখতে এবং ওজন কমাতে অন্তত ৩০ মিনিট হাটার অভ্যাস করুন।

১৫। দেশি মুরগীর মাংস খান। গরু ও খাশির মাংস কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

 ১৬।ওটস খেতে পারেন। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আশ।

১৭। কাঠবাদাম খেতে পারেন। এতে রয়েছে ভিটামিন ই ও আমিষ। এটি ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।

 ১৮।প্রতিদিন খালি পেটে জিরার পানি পান করলে ওজন হ্রাস পাবে।এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন ও ভিটামিন এ এবং সি। এটি চর্বি কাটতে সাহায্য করে।

 ১৯। খাবার সোডা ও কোমল পানীয় একেবারেই এড়িতে যেতে হবে।

২০। প্রতিদিন অন্তত ১/২কেজি শসা খান।শসা চর্বি কাটাতে বা মেদ এবং ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search