" জেনে নিন নিয়মিত ইসুবগুলের ভুষি খাওয়ার উপকারীতা "

Unknown | October 14, 2017 | |
ইসুবগুল মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী। এর ইংরেজি নাম Blondi-psyllium। ইসুবগুল বাংলাদেশ ভারতসহ অনেক দেশেই পরিচিত। ইসুবগুল কোষ্ঠকাঠিন্য, ডাইরিয়া, আ্যসিডিটি, পাইলস প্রতিরোধ, ডাইবেটিস প্রতিরোধ ইত্যাদি রোগ দূরীকরণে সাহায্য করে থাকে। 



পেটের পীড়া,অস্বস্তি, মল ত্যাগের ক্ষমতা কমে গেছে এমন রোগীদেরও এটা বেশি প্রিয়। ইসুবগুলের ভুষিতে রয়েছে ৭০% দ্রবণীয় এবং ৩০% অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে। দ্রবণীয় ফাইবার মল নরম করে। অদ্রবণীয় ফাইবার মলের পরিমান বৃদ্ধি করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ইসুবগুল ওজন কমাতে ও হার্টের সুস্থ্যতায় কাজ করে থাকে। তাহলে চলুন একে একে জেনে ইসুবগুলের উপকারীতা......

 কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে : কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করতে প্রচুর পরিমানে আঁশ জাতীয় খাবারের দরকার । ইসুবকুলে রয়েছে প্রচুর পরিমান আশ। যা কুষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ইসুবগুলের কিছু দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে বর্জ্য পদার্থ বাহিয়ে বের করতে সাহায্য করে। কুষ্ঠকাঠিণ্য দূর করতে প্রতিদিন রাত্রে ঘুমাতে যাবার আগে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে ২ চামচ ইসুবগুল মিশিয়ে খান।

ডায়রিয়া প্রতিরোধে : ডায়রিয়া প্রতিরোধেও ইসুবগুলে রয়েছে কার্যকরী ভূমিকা । এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ইসুবগুল একি সংঙ্গে পরিপাকের ২ ‍টি ভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধান করে। ইসুবগুলে দ্রবনীয় ফাইবার অন্ত্রের পানি শোষন করে ফুলে ওঠে এবং তরল মল কে আবদ্য করে শক্ত করে ফেলে। খুব কম সময়ের মধ্যে ডায়রিয়া ভাল করতে ৩ চামচ দই ২ চামর ইসুবগুল  মিশিয়ে দিনে ২ বার খান। দইয়েরর প্রোবায়োটিক পাকস্থলি ইনফেকশন সারাতে পারে।

ওজন কমাতে : ইসুবগুল পেট ভরাটে রাখতে সাহায্য করে এবং অন্ত্র পরিস্থার সাহায্য করে। ফেটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছা থেকে বিরত রাখে। এটি পাকস্থলি হতে বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। হযম প্রক্রিয়াকে আরো বেশি কার্যকর করে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য করে। কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসুবগুলে ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ওজন হ্রাস করে। এটি অবশ্যই সকালে খালি পেটে নাস্তা খাওয়ার আগে খেতে হবে।

অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে : অধিকাংশ মানুষের অ্যাসিডিটি থাকে। ইসুবগুল হতে পারে আপনার ঘরোয়া প্রতিকার । ইসুবগুল খেলে তা পাকস্থলি ভেতরের দেয়ালে প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে। যা অ্যাসিডিটির বাণ থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করে। এছাড়া সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলির ভিবিন্ন এসিড নি:সরণে সাহায্য করে।

হজম কৃয়িার উন্নতিতে : দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আশে ভরপুর। ইসুবগুল হজম প্রক্রিয়া সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে। ‍এটি শুধু পাকস্থলী পরিষ্কারইরাখে না পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে ও সাহায্য করে। তাই হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে নিয়মিত ভাবে ইসুবগুল খান।

হৃদ স্বাস্থের সুস্থতায় : ইসবগুলে থাকা খাদ্য  আঁশ কোলেষ্টরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। ইসুবগুল রক্তের অতিরিক্ত কোলেষ্টেরল সরিয়ে দেয় যা ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও এটি রক্তের ট্রাই গ্লিসাবাইডের পরিমান কমায়। ফলে হৃদ রোগের ঝুকি কমে। ডাক্তাররা এমন খাবারের কথাই বলে থাকে।

ডায়বেটিস প্রতিরোধে : ডায়বেটিস রোগিদের ক্ষেত্রে ইসবগুল খুব বাল কাজ করে। এটি পাকস্থলীতে যখন জেলির মত কঠিন পদার্থ রুখে নেয় তখন তা গ্লুকোজের ভাঙন ও শোষণের গতিকে ধীর করে। যার ফলে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন নিয়মিত বাবে দুধ বা পানিরর সাথে ইসবগুল পান করলে ডায়বেটিস প্রতিরোধ করবে।

পাইলস প্রতিরোধে : পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যা ও বায়ুপথে কঠিন ইত্যাদি সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য ইসবগুল কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এটি শুধু পেটকে পরিষ্কার করে না মলকে নরম করতে সাহায্য করে। ব্যাথামুক্ত অবস্থায় মলকে বের করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে।

▫  প্রস্বাবে জ্বালাপুড়া কমাতে : অনেকেরি প্রস্বাবে জ্বালাপুড়া সমস্যা রয়েছে যারা এই সমস্যাই ভুগছেন তারা ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন প্রস্বাবে জ্বালাপুড়া কমাতে সাহায্য করে।




Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

Search