একজোড়া সুন্দর ও আকর্ষনীয় ঠোঁট সকলেরই কাম্য। সুন্দর মুখের মাঝে কালো একজোড়া ঠৌঁট থাকলে তা দেখতে পুরোপুরি অস্বস্তিকর অবস্থা ।একজোড়া সুন্দর ঠোঁটে মুখে বাড়তি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। আমরা সর্বদাই ত্বকের দিকে একটু বেশিই নজর দিয়ে থাকি। তবে ঠোঁট যদি কালো হয় তাহলে পুরো সৌন্দর্যটাই ম্লান হয়ে যায়। ঠোঁটে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহারও এর কারণ হিসেবে গন্য। আমরা যে লিপস্টিক ব্যবহার করি তাতে রয়েছে প্যারাফিন নামে একটি উপাদান যা ঠোঁটকে কালো করে দেয়। সূর্যের এত বেগুনী রশ্মি, চা, কফি পান, খাদ্যাভ্যাস এবং বয়স ইত্যাদি কারনে ঠোঁটে কালচে ভাব চলে আসে। ঠোঁট মুখের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংগ। আর এই সুন্দর ঠোঁটের হাসি কে না ভালবাসে। তবে এই সুন্দর ঠোঁটে যদি কালো আভা দেখা যায় তখন কেমন লাগে বলুন তো?? অবশ্যই খারাপ লাগবে। তাহলে চলুন জেনে নেই ঘরে থাকা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে কিভাবে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করবেনঃ-

⏯ লেবুর রসঃ- লেবু আমাদের ঘরে সবসময় থাকে। লেবুর রসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। যা ঠোঁটের উপরের কালো দাগ তুলতে সাহায্য করে। লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। আস্তে আস্তে আঙ্গুলের সাহায্যে ঘষুন। ঘন্টাখানেক পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এক সপ্তাহ ব্যবহার করুন। দেখবেন ঠোঁটের কালচে ভাব অনেকটাই দূর হয়ে গেছে।
⏯ গ্লিসারিনঃ- শুষ্ক ঠোঁট রোদের সংস্পর্শে এসে দ্রুত কালো হয়ে যায়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলার সাহায্যে গ্লিসারিন ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। এভাবে সারারাত ঠোঁটে রেখে দিন। সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে।ধুয়ে ফেলুন।
⏯ মধু, চিনি ও অলিভ ওয়েলঃ- ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে দুই টেবিল চামচ মধু, দুই টেবিল চামচ চিনি ও দুই চা চামচ অলিভওয়েল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। মধু প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। অলিভওয়েল শুষ্কতা দূর করে, নরম ও মসৃণ করে। চিনি স্ক্রাবারের কাজ করে। এটি ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার পাশাপাশি ঠোঁটের মরা চামড়াও দূর করে।
⏯ হলুদ ও দুধঃ- এক চা চামচ হলুদ ও এক চা চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে ৫-১০মিনিট ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
⏯ আমন্ড ওয়েলঃ- রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে আমন্ড ওয়েল লাগিয়ে ঘুমান। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ঠোঁটের কালো ভাব দূর করে ও সতেজ রাখে।
⏯ গোলাপের পাপড়িঃ- গোলাপের পাপড়ি পেষ্ট করে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট নরম ও গোলাপি হবে।
